জরুরি অবস্থা (Emergency Provisions) (Part XVIII – অনুচ্ছেদ 352-360. WBCS প্রিলিমসে ও মেইনসে প্রতি বছর 1/2 টা প্রশ্ন আসে – যেমন কোন ধরনের জ...

11 জরুরি অবস্থা (Emergency Provisions)

/
0 Comments

 জরুরি অবস্থা (Emergency Provisions)

(Part XVIII – অনুচ্ছেদ 352-360. WBCS প্রিলিমসে ও মেইনসে প্রতি বছর 1/2 টা প্রশ্ন আসে – যেমন কোন ধরনের জরুরি অবস্থা, কোন অনুচ্ছেদে, মৌলিক অধিকার কীভাবে প্রভাবিত হয়।)।

1. ভূমিকা: জরুরি অবস্থা কী এবং কেন?

জরুরি অবস্থা (Emergency) হল সংবিধানের সেই বিধান যা দেশে সাধারণ অবস্থার পরিবর্তে বিশেষ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেয়। এতে সংবিধানের স্বাভাবিক কাঠামো (ফেডারেল থেকে ইউনিটারি) পরিবর্তিত হয়। তিন ধরনের জরুরি অবস্থা আছে – জাতীয়, রাষ্ট্রপতি শাসন ও আর্থিক। এটি সংবিধানের "সেফটি ভালভ" – কিন্তু 1975 - 77 ইমার্জেন্সিতে অপব্যবহার হয়েছিল বলে 44তম সংশোধনী (1978) দিয়ে অনেক সুরক্ষা যোগ করা হয়েছে।

2. তিন ধরনের জরুরি অবস্থা

ধরন

অনুচ্ছেদ

ঘোষণার কারণ

ক্ষমতা বৃদ্ধি

সময়সীমা ও অনুমোদন

জাতীয় জরুরি অবস্থা (National Emergency)

352

যুদ্ধ, বহিরাক্রমণ বা সশস্ত্র বিদ্রোহের কারণে দেশের নিরাপত্তা বিপন্ন।

কেন্দ্র, রাজ্যের প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে, সংসদ স্টেট লিস্টে আইন করে, মৌলিক অধিকার সাসপেন্ড (20 ও 21 বাদে)।

প্রথম 1 মাসে দুই কক্ষে অনুমোদন লাগে, তারপর 6 মাস অন্তর পুনর্নবীকরণ (সংসদের অনুমোদন লাগে)। রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে।

রাষ্ট্রপতি শাসন (President's Rule)

356

রাজ্যে সাংবিধানিক যন্ত্র ব্যর্থ হলে।

কেন্দ্র রাজ্যের নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন ক্ষমতা নেয়। বিধানসভা সাসপেন্ড/বিলুপ্ত হয়।

প্রথম 2 মাসে সংসদে অনুমোদন, তারপর 6 মাস অন্তর (সর্বোচ্চ 3 বছর)।

আর্থিক জরুরি অবস্থা (Financial Emergency)

360

দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হলে।

কেন্দ্র রাজ্যের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নেয়, বেতন কমানো, ঋণ নিয়ন্ত্রণ।

প্রথম 2 মাসে সংসদে অনুমোদন, তারপর 6 মাস অন্তর।

3. জরুরি অবস্থার প্রভাব

  • জাতীয় জরুরি অবস্থার প্রভাব:

    • অনুচ্ছেদ 358: অনুচ্ছেদ 19 (স্বাধীনতা) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাসপেন্ড।

    • অনুচ্ছেদ 359: অন্যান্য মৌলিক অধিকার (20 ও 21 বাদে) সাসপেন্ড করা যায়।

    • কেন্দ্র, রাজ্যের প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে (অনুচ্ছেদ 353)।

  • রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রভাব: রাজ্য সরকার ও বিধানসভা সাসপেন্ড, কেন্দ্র রাজ্যের হয়ে আইন করে।

  • আর্থিক জরুরি অবস্থার প্রভাব: রাজ্যের আর্থিক স্বাধীনতা সীমিত হয়।

4. 44তম সংশোধনী (1978) দিয়ে সুরক্ষা (safe guard)

  • 1975 -77 ইমার্জেন্সির অপব্যবহারের পর এই সংশোধনী আসে।

  • জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য "আর্মড রিবেলিয়ন" লাগে (পূর্বে "ইন্টারনাল ডিস্টারবেন্স")।

  • অনুচ্ছেদ 20 ও 21 সাসপেন্ড করা যাবে না।

  • রাষ্ট্রপতি শাসনের সময়সীমা 3 বছরের বেশি হবে না। 

5. রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন 3 বছরের বেশি চালিয়ে যেতে হলে নিচের দুটির মধ্যে অন্তত একটি শর্ত পূরণ করতে হবে:

  1. দেশের কোনো অংশে জাতীয় জরুরি অবস্থা (Article 352) জারি থাকতে হবে
    অথবা

  2. নির্বাচন কমিশন সার্টিফাই করবে যে রাজ্যে এখন বিধানসভা নির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই।

দুটোই একসাথে থাকতে হবে না — যেকোনো একটা থাকলেই 3 বছরের বেশি চালানো যায় (সংসদের অনুমোদন নিয়ে)।

WBCS-এর জন্য One-liner

  1. রাষ্ট্রপতি শাসনের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত? → 3 বছর

  2. 3 বছরের বেশি চালাতে কোন শর্ত লাগে? → জাতীয় জরুরি অবস্থা চালু থাকা অথবা নির্বাচন কমিশনের সার্টিফিকেট

  3. এই শর্ত কোন অনুচ্ছেদে? → অনুচ্ছেদ 356 (4) 

  4. নির্বাচন কমিশন কী সার্টিফাই করে? → রাজ্যে নির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই

6. গুরুত্বপূর্ণ কেস ল

  • ADM Jabalpur vs Shivkant Shukla (1976): ইমার্জেন্সিতে অনুচ্ছেদ 21 সাসপেন্ড করা যায় (হেবিয়াস কর্পাস নিষিদ্ধ)। এটি "ভারতীয় বিচারব্যবস্থার অন্ধকার দিন"।

  • Minerva Mills (1980): জরুরি অবস্থার অপব্যবহারের পর সংশোধনী দিয়ে সুরক্ষা।

7. WBCS-এ আসা বা আসতে পারে এমন প্রশ্ন ও উত্তর (One-liner)

  1. জাতীয় জরুরি অবস্থা কোন অনুচ্ছেদে? → 352

  2. রাষ্ট্রপতি শাসন কোন অনুচ্ছেদে? → 356

  3. আর্থিক জরুরি অবস্থা কোন অনুচ্ছেদে? → 360

  4. অনুচ্ছেদ 21 সাসপেন্ড করা যায়? → না (44তম সংশোধনী)।

  5. জরুরি অবস্থায় অনুচ্ছেদ 19 স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাসপেন্ড? → হ্যাঁ (অনুচ্ছেদ 358)।

  6. জরুরি অবস্থার ঘোষণা কে করেন? → রাষ্ট্রপতি।

  7. জরুরি অবস্থা কতদিন চলতে পারে? → সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে 6 মাস অন্তর।

  8. 1975 ইমার্জেন্সির পর কোন সংশোধনী আসে? → 44তম।

  9. জরুরি অবস্থায় কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক কেমন হয়? → কেন্দ্রের প্রাধান্য।

  10. ADM Jabalpur কেস কী বলে? → অনুচ্ছেদ 21 সাসপেন্ড করা যায় (পরে ওভাররুল)।


1975 সালের জরুরি অবস্থা (Emergency)

1. পটভূমি ও ঘোষণা (Background & Proclamation)

  • তারিখ: 25 জুন 1975 রাত 11:45 মিনিটে রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ জাতীয় জরুরি অবস্থা (National Emergency) ঘোষণা করেন (অনুচ্ছেদ 352)।

  • কারণ (অফিসিয়াল): প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন – "অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা" (internal disturbance) এবং "জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন"।

  • আসল কারণ: 12 জুন 1975-এ এলাহাবাদ হাইকোর্ট ইন্দিরা গান্ধীর 1971-এর নির্বাচন বাতিল করে দেন (আরএস বেগ কেস) এবং তাকে 6 বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেন। সুপ্রিম কোর্টে স্টে অর্ডার পাওয়ার পরও বিরোধী দল (জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে) "সম্পূর্ণ বিপ্লব" ঘোষণা করে, রেল ধর্মঘট, বিক্ষোভ বাড়ে। ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতা ধরে রাখতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

2. জরুরি অবস্থার প্রধান ঘটনা ও ব্যবস্থা (1975–1977)

  • মৌলিক অধিকার সাসপেন্ড: অনুচ্ছেদ 359 -এর অধীনে প্রায় সব মৌলিক অধিকার সাসপেন্ড করা হয়। অনুচ্ছেদ 19 স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাসপেন্ড (অনুচ্ছেদ 358)।

  • গ্রেফতার ও MISA: Maintenance of Internal Security Act (MISA) দিয়ে প্রায় 1 লক্ষ লোককে বিনা বিচারে গ্রেফতার করা হয়। জয়প্রকাশ নারায়ণ, মোরারজি দেশাই, অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডভাণী সহ বিরোধী নেতারা জেলে।

  • প্রেস সেন্সরশিপ: সংবাদপত্রে কঠোর সেন্সরশিপ। অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়ে যায় বা কালো পাতা ছাপে (Indian Express-এর কালো পাতা বিখ্যাত)।


  • 42তম সংশোধনী (1976): "মিনি সংবিধান" বলা হয়।

    • প্রস্তাবনায় Socialist, Secular, Integrity যোগ।

    • মৌলিক কর্তব্য যোগ (অনুচ্ছেদ 51A)।

    • মৌলিক অধিকার সীমিত।

    • সংসদের ক্ষমতা বাড়ানো।

  • জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ: সঞ্জয় গান্ধীর নেতৃত্বে জোরপূর্বক নসবন্ধি (forced sterilization) চালানো হয় – লক্ষ লক্ষ লোকের উপর।

3. অপব্যবহার ও প্রভাব (Misuse & Impact)

  • অপব্যবহার: কোনো সত্যিকারের যুদ্ধ/বিদ্রোহ ছিল না। এটি ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য করা হয়।

  • জনগণের প্রতিক্রিয়া: নীরব প্রতিবাদ, গোপন সংগঠন (যেমন জয়প্রকাশের লোক)।

  • অর্থনৈতিক প্রভাব: শিল্প উৎপাদন বাড়ে, ট্রেন চলে সময়মতো, কিন্তু মানুষের স্বাধীনতা হারায়।

  • শেষ: 18 জানুয়ারি 1977-এ ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা তুলে নেন এবং নির্বাচন ঘোষণা করেন। মার্চ 1977 -এর নির্বাচনে কংগ্রেস পরাজিত হয়, জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসে।

4. পরবর্তী সংশোধনী ও শিক্ষা (Post-Emergency Reforms)

  • 44তম সংশোধনী (1978): জনতা সরকারের আমলে আসে।

    • জরুরি অবস্থার কারণ "armed rebellion" করা হয় (পূর্বে "internal disturbance")।

    • অনুচ্ছেদ 20 ও 21 সাসপেন্ড করা যাবে না।

    • রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ সীমিত করা হয়।

  • কেস ল: ADM Jabalpur কেস (1976) – "ভারতীয় বিচারব্যবস্থার অন্ধকার দিন"। পরে Puttaswamy কেসে (2017) এটি ওভাররুল হয়।

5. WBCS-এ আসা বা আসতে পারে এমন প্রশ্ন ও উত্তর (One-liner)

  1. জরুরি অবস্থা কবে ঘোষিত হয়? → 25 জুন 1975 ।

  2. কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় জরুরি অবস্থা? → 352

  3. কোন সংশোধনী দিয়ে ২১ সাসপেন্ড করা যাবে না? → 44তম

  4. ১৯৭৫ ইমার্জেন্সির সময় কোন সংশোধনী হয়? → 42তম।

  5. ADM Jabalpur কেস কী বলে? → ইমার্জেন্সিতে হেবিয়াস কর্পাস নিষিদ্ধ।

  6. জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয় কবে? → 18 জানুয়ারি 1977

  7. 1977 নির্বাচনে কে জিতে? → জনতা পার্টি।

  8. জরুরি অবস্থার অপব্যবহারের পর কোন সংশোধনী? → 44তম।

 1975-77 ইমার্জেন্সি ভারতীয় গণতন্ত্রের "অন্ধকার অধ্যায়"। এটি থেকে শিক্ষা নিয়ে 44তম সংশোধনী দিয়ে সুরক্ষা যোগ করা হয়েছে। 


ADM Jabalpur vs Shivkant Shukla (1976) – হেবিয়াস কর্পাস কেস

(এটি ভারতীয় সাংবিধানিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত ও "অন্ধকারতম" রায় হিসেবে পরিচিত। WBCS প্রিলিমসে প্রশ্ন আসে যেমন "ADM Jabalpur কেস কী বলে?" বা "কোন জজ ডিসেন্ট করেছিলেন?"।)

পটভূমি (Background)

  • সময়কাল: 1975-77 জাতীয় জরুরি অবস্থা (Emergency) চলাকালীন।

  • প্রেক্ষাপট: 12 জুন 1975 -এ এলাহাবাদ হাইকোর্ট ইন্দিরা গান্ধীর 1971-এর লোকসভা নির্বাচন বাতিল করে দেন (আরএস বেগ কেস)। এতে ইন্দিরা গান্ধী 6 বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য হন।

  • সুপ্রিম কোর্টে আপিলে স্টে অর্ডার পাওয়ার পরও বিরোধী নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, ধর্মঘট বাড়ে।

  • 25 জুন 1975 রাতে রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন (অনুচ্ছেদ 352)।

  • 27 জুন 1975-এ রাষ্ট্রপতির আদেশে (অনুচ্ছেদ 359) মৌলিক অধিকারের প্রয়োগ সাসপেন্ড করা হয়।

  • এর ফলে হাজার হাজার বিরোধী নেতা-কর্মীকে MISA (Maintenance of Internal Security Act) দিয়ে বিনা বিচারে আটক করা হয়।

কেসের তথ্য (Facts)

  • বিভিন্ন হাইকোর্টে (যেমন বোম্বে, দিল্লি, মাদ্রাজ) আটক ব্যক্তিরা হেবিয়াস কর্পাস রিট (Article 226) দিয়ে মুক্তি চান।

  • হাইকোর্টগুলো মোটামুটি রিট মেনটেইন করে বলে যে অনুচ্ছেদ 21 (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) সাসপেন্ড হলেও আটকের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা যায়।

  • সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। সব কেস একত্রিত করে ADM Jabalpur vs Shivkant Shukla নামে শুনানি হয়।

  • পিটিশনাররা: বিভিন্ন আটক ব্যক্তি (যেমন Shivkant Shukla)।

  • রেসপন্ডেন্ট: Additional District Magistrate, Jabalpur (সরকারের পক্ষে)।

বেঞ্চ ও রায় (Bench & Judgment)

  • বেঞ্চ: 5 জনের কনস্টিটিউশন বেঞ্চ – CJI A.N. Ray (প্রধান), Justices M.H. Beg, Y.V. Chandrachud, P.N. Bhagwati, H.R. Khanna।

  • রায়ের তারিখ: 28 এপ্রিল 1976 

  • মেজরিটি (4:1): CJI Ray, Beg, Chandrachud, Bhagwati – সরকারের পক্ষে।

    • রায়: জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপতির আদেশে (অনুচ্ছেদ 359) মৌলিক অধিকারের প্রয়োগ সাসপেন্ড হলে হেবিয়াস কর্পাস রিটও মেনটেইন করা যাবে না।

    • অনুচ্ছেদ 21 (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) সাসপেন্ড করা যায়।

    • কারণ: জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রের স্বার্থ সবকিছুর উপরে। আটক ব্যক্তির কোনো লোকাস স্ট্যান্ডি নেই।

  • ডিসেন্ট: Justice H.R. Khanna – একমাত্র বিরোধী মত।

    • বলেন: অনুচ্ছেদ 21 সাসপেন্ড হলেও জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার স্বাভাবিক আইনের (natural law) অংশ। হেবিয়াস কর্পাস রিট চালু থাকবে।

    • এই ডিসেন্টের জন্য তিনি CJI হওয়ার সুযোগ হারান।

কেসের প্রভাব (Impact)

  • নেগেটিভ প্রভাব:

    • হাজার হাজার মানুষকে বিনা বিচারে আটক রাখা সম্ভব হয়।

    • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

    • এটি "ভারতীয় বিচারব্যবস্থার অন্ধকারতম দিন" বলে পরিচিত।

  • পরবর্তী প্রভাব:

    • 1977 -এ জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার পর জনতা পার্টি ক্ষমতায় এসে 44তম সংশোধনী (1978) পাস করে।

    • এতে অনুচ্ছেদ 20 ও 21 সাসপেন্ড করা যাবে না বলে স্পষ্ট করা হয়।

    • 2017 -এ K.S. Puttaswamy vs Union of India কেসে (প্রাইভেসি অধিকার) 9 জনের বেঞ্চ ADM Jabalpur-কে সম্পূর্ণ ওভাররুল করে। জাস্টিস D.Y. Chandrachud (যিনি কেসে ছিলেন) বলেন: "ADM Jabalpur seriously flawed" এবং "life and personal liberty are inalienable"।

WBCS-এর জন্য One-liner রিভিশন

  1. ADM Jabalpur কেস কবে? → 1976

  2. কোন নামে পরিচিত? → হেবিয়াস কর্পাস কেস।

  3. মেজরিটি রায় কী? → ইমার্জেন্সিতে অনুচ্ছেদ 21 সাসপেন্ড করা যায়।

  4. কে ডিসেন্ট করেন? → জাস্টিস H.R. Khanna।

  5. কোন সংশোধনী দিয়ে ওভাররুল হয়? → 44তম (1978) + Puttaswamy কেস (2017)।

  6. কেন "অন্ধকারতম দিন"? → বিচার বিভাগ সরকারের সামনে মাথা নত করে।

পূর্ববর্তী চ্যাপ্টার: আন্তঃরাজ্য পরিষদ (Interstate Council)

পরবর্তী চ্যাপ্টার: ভারতের রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি





You may also like

কোন মন্তব্য নেই: